পরম করুনাময় অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি
দোয়ালিয়া তা‘লিমুল কুরআন নূরাণী দাখিল মাদ্রাসার কার্যক্রম শুরু হয় ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে। মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কারণ এই গ্রামে চারপাশের ১৬ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে মাদ্রাসা না থাকায় অত্র এলাকার ছাত্র-ছাত্রী অভিবাভক ও এলাকাবাসির মানসম্মত শিক্ষার প্রয়োজনে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা এলাকাবাসির গন দাবিতে পরিনত হয়। এলাকার গন্যমান্য শিক্ষিত, ব্যবসায়ি, তরুন ছাত্রসমাজ ও সমাজ সেবকদের নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় দোয়ালিয়া তা‘লিমুল কুরআন নূরাণী মাদ্রাসা। নূরাণী ও এবতেদায়ি শাখায় ভালো শিক্ষার মান নিশ্চিত করায় অভিবাভক ও এলাকাবাসির দাবির প্রেক্ষিতে পরিচালনা কমিটির দাখিল ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দাখিল নবম শ্রেণি পাঠদান অনুমোদনের ভিত্তিতে মাদ্রাসাটি দাখিল পর্যায়ে উন্নীত হয়।
গ্রামের কোথায়ও ভূমির ব্যাবস্থা করতে না পারায় মো: ফারুক আহমেদ ওরফে ফারুক হুজুর তাঁর বসতবাড়ির উত্তর পাশে ৬ শতাংশ জায়গায় ওয়াক্ফ দিবে বলে আশ^স্থ করায় মাদ্রাসাটি স্থাপন করা সহজ হয়। পরবর্তীতে ফারুক আহমেদ ওয়াক্ফ স্টেটে পরিণত হয়। পরবর্তীতে আরো একজন দানবীর জনাব সামছুল আলম (মধ্য মারওয়ান বাড়ি) আরো ৫ শতাংশ জায়গা অত্র ওয়াক্ফ স্টেটের অধীনে ওয়াক্ফ করেন। মাদ্রাসা কতৃপক্ষ আরো ৩০ শতাংশ জায়গা বায়না করতে সক্ষম হয়। এখানে উল্লেখ্য যোগ্যভাবে অংশগ্রহন করেন: ১) ডা: মো: মিজানুর রহমান। ২) সামছুল আলম। ৩) মাও: আশরাফুল আলম সিদ্দিকি। ৪) মাও: নূর মোহাম্মাদ,কালিয়াপাড়া। ৫) মাও: এমরান হোসাইন। ৬) মাও: শাহ জালাল ৭) হা: মাও: আয়াজ মাহমুদ। ৮) উপ সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন। ৯) মো: ইউছুপ পাটওয়ারী। ১০) গাজী মো: নাছির উদ্দিন। ১১) মো: আব্দুস সামাদ, দোঘর। ১২)বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মফিজুল ইসলাম মারওয়ান।
মাদ্রাসার ঘরগুলো নির্মাণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ওয়াক্ফ স্টেটের মুতাওয়াল্লির কাঠগুলো, জমি ভরাটে যারা ভূমিকা রাখেন তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য সামছুল আলম, মজিবুর রহমান মারওয়ান, শাহাদাত মিয়াজি, গাজী মো: নাসির উদ্দিন ও মুহাদ্দিস মাও: মোহাম্মাদ জিল্লুর রহমান।
মাদ্রাসার টিন ক্রয়ের যারা ভূমিকা রাখেন তাদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য সুদিয়ার জামাল সরকার, ডা: মিজানুর রহমান, হাজীগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম।
মাদ্রাসার দুই তিন বছর যাওয়ার পর এলাকায় একটি গোলযোগ সৃষ্টি হয় যা দূরিভূত করনে উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে ভূমিকা রাখেন তারা হলেন হাজীগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সাংবাদিক গাজী নাছির উদ্দিন, সিদ্দিকে আকবর শাহাজাহান ও হাজীগঞ্জ বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ি জাহাঙ্গীর আলম। এলাকা থেকে যারা বিশৃঙ্খলা এড়াতে উল্লেখ্যযোগ্য ভাবে সহেযোগীতা করেছেন তারা হলেন বর্তমান সভাপতি মজিবুর রহমান মারওয়ান ও সেক্রেটারী শাহাদাত হোসাইন, আব্দুল মালেক, জহির মারওয়ান, মারুফ মারওয়ান। প্রশাসনিক ভাবে যারা সহেযোগীতা করেছেন তারা হলেন গাজী মো: নাছির উদ্দিন, উপ সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেম্বার মোস্তফা আহম্মেদ, রাজনীতিবিদ লিটন মুন্সী ও মুতাওয়াল্লির জামাতা ফারুক হোসেন।
প্রতিষ্ঠানের আভ্যন্তরিন সৌন্দয্য, আইটি ভিত্তিক অফিস পরিচালনা ও শিক্ষক সরবাহের ক্ষেত্রে উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা রেখেছেন প্রভাষক মো: আব্দুল আজিজ, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হাফেজ মো: আসলাম, মো: মহিব উল্লাহ, মুহাদ্দিস মাও: মো জিল্লুর রহমান, মাও: মহিউদ্দিন মারওয়ান, প্রভাষক মাও: মো: মহিউদ্দিন।
যারা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের মধ্যে মাও: মো: মফিজুল ইসলাম, জনাব, মো: রফিকুল ইসলাম ও জনাব মো: মজিবুর রহমান মাওয়ান।
যারা সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেন: মুহাদ্দিস মাও: জিল্লুর রহমান, আ. ন.ম মাহাবুব এলাহী ও মো: শাহাদাত মিয়াজী।
প্রতিষ্ঠাকালীন যারা সহযোগিতা করেন তাদের মধ্যে এবিএম মফিজুল ইসলাম, মাও: জিল্লুর রহমান, মাও: খোরশেদ আলম, ফয়েজ আহম্মদ, মাহাবুব মুন্সি, রফিকুল ইসলাম মজুমদার শহীদুল ইসলাম, মৃত মোস্তফা আহমেদ, মৃত শফিক মজুমদার, মাও: মহিউদ্দিন মারওয়ান, প্রভাষক মাও: মহিউদ্দিন, হাফেজ কামাল সুদিয়া, মো: আজাদ সুদিয়া, আব্দুর রহমান সুদিয়া, মো: কবির হোসাইন, মাও: মহিব উল্লাহ, প্রভাষক মো:আব্দুল আজিজ, রাকিব মিয়াজি ও মোতাওয়াল্লি ফারুক আহম্মদ.
মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় আমাদেরকে উৎসাহ প্রদান করেন প্রভাষক মাও: মো: আবু সুফিয়ান ও ডি জি এফ আই অফিসার জনাব আবু জাফর (জাকনি)